গ্রামীণফোন-রবি’র এনওসি বন্ধ
আজ মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) থেকে নতুন ব্যবসায়িক চাপে পড়লো গ্রাহক ও আয়ে শীর্ষ দুই মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি। যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যার আমদানিতে যে কোনো ধরনের অনাপত্তিপত্র বা এনওসি দেওয়া বন্ধ করে দেয়ায় এই নতুন চাপে পড়লো অপারেটর দুটি। পাওনা আদায়ে সোমবার (২২ জুলাই) বিকেলে আনুষ্ঠানিক ভাবে চিঠি দিয়ে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে গ্রাহক সেবায় নতুন কোনো প্যাকেজ ঘোষণাতেও এনওসি পাবে না তারা। ফলে বকেয়া পরিশোধ না করা পর্যন্ত কোনো প্রকার ট্যারিফ বা সার্ভিস প্যাকেজের অনুমোদন পাবে না।
সূত্রমতে, আগে অনুমোদন নেয়া থাকলেও নতুন কোনো যন্ত্রপাতি বা সেবা কার্যকর করতে পারবে না। আমদানিকৃত যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যার বন্দর থেকে খালাস করা না হয়ে থাকলে এখন সেগুলোও ছাড়াতে পারবে না। সেগুলো ওয়্যারহাউজেই পড়ে থাকবে। এতে করে তাদের ব্যয় যেমন বাড়বে, একইসঙ্গে কার্যক্রম সচল রাখতেও বেগ পেতে হবে।
প্রসঙ্গত, গ্রামীণফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং রবি’র কাছে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বিটিআরসি’র। এই পাওনা আদায়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে গত ৪ জুলাই গ্রামীণফোনের মোট ব্যবহার করা ব্যান্ডউইথের ৩০ শতাংশ এবং রবির ব্যবহৃত ব্যান্ডউইথের ১৫ শতাংশের ওপর ক্যাপিং আরোপ করে কমিশন। এর ফলে গ্রাহক নেটওয়ার্ক ব্যবহারে গ্রাকরা ভোগান্তির শিকার হওয়ায় সেই অবস্থান থেকে সরে আসে সংস্থাটি।